কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণ দুই মাস পর প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিলেন হানিফ মিয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের উত্তর পাড়ার বাসিন্দা মোঃ হানিফ মিয়া প্রায় দুই মাস আগে একটি স্বর্ণের গহনা কুড়িয়ে পান। পেশায় তিনি একজন মুদি দোকানদার। কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণটি নিজের কাছে রেখে না দিয়ে তিনি প্রকৃত মালিকের সন্ধান করতে উদ্যোগ নেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ডেইলি নিউজ বাঞ্ছারামপুরের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। পরে সময়ের বাঞ্ছারামপুর টিভিতেও খবরটি প্রচার করা হলে এলাকায় বিষয়টি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্বর্ণের প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়ার আশা তৈরি হয়।
অবশেষে গত ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে স্বর্ণটির প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়। জানা যায়, ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের সুমি আক্তার নামের এক স্কুলছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পথে অসাবধানতাবশত স্বর্ণের গহনাটি হারিয়ে ফেলেছিল। সুমি আক্তার ছলিমাবাদ ইসলামী প্রিপারেটরী স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
খবরটি দেখার পর সুমির মা সময়ের বাঞ্ছারামপুরের সাংবাদিক মোঃ মারুফের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে সাংবাদিক মারুফ বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সাংবাদিক রোমন হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাই করার পর নিশ্চিত হওয়া গেলে কুড়িয়ে পাওয়া স্বর্ণটি সুমি আক্তারের পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের পরিমাণ চার আনারও বেশি, যার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ৬৫ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় মোঃ হানিফ মিয়ার সততা ও মানবিকতা এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা তার এই সৎ উদ্যোগকে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।