১৪ তম গ্রেডে চাকরি, এক দশকে শতকোটি টাকার মালিক ইউপি সচিব “সাধারণ কর্মচারী” থেকে “অবৈধ সম্পদের পাহাড়”তেতুলঝোড়া ইউপি সাবেক সচিব মীর আব্দুল বারেকের দুর্নীতির খতিয়ান
নিজস্ব প্রতিনিধি:
এক সময় ১৪ তম গ্রেডের একজন সাধারণ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু মাত্র এক দশকের ব্যবধানে তার জীবনযাত্রায় এসেছে আমূল পরিবর্তন। বহুতল ভবন, রাজধানীর অভিজাত এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ও বিপুল জমির মালিক হয়ে এখন তিনি শতকোটি টাকার সম্পদের অধিকারী—যা স্থানীয়দের কাছে বিস্ময় ও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব এবং বর্তমানে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত মীর আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম সমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ক্ষমতার এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়েই দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।দীর্ঘ এক দশক: লাগামহীন দুর্নীতির অভিযোগ তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় এক দশক ধরে বিভিন্ন প্রকল্প, উন্নয়ন কাজ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বিপুল সম্পদের উৎস খুঁজতে গিয়ে সামনে আসে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা তথ্য।অবৈধ সম্পদের পাহাড় স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তেতুলঝোড়া এলাকায় তার নামে একটি পাঁচতলা বহুতল ভবন রয়েছে। এছাড়া একই এলাকায় নামে-বেনামে অন্তত ২০ থেকে ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।শুধু স্থানীয় এলাকাই নয়, রাজধানীর কল্যাণপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি থাকার তথ্যও উঠে এসেছে।একজন সাধারণ ১৪ তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর পক্ষে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া কীভাবে সম্ভব এ প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে ঘুরছে।ইউপি সচিবদের ঢাকা জেলার সভাপতি হয়ে প্রভাব বিস্তার
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, ইউপি সচিবদের সংগঠনের ঢাকা জেলার সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রভাব আরও বেড়ে যায়। এই পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন মহলে প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে। অনেকের মতে, এই পদকে কেন্দ্র করেই তিনি বিভিন্নভাবে কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।“স্বৈরাচারের দোসর” হিসেবে সমালোচনা রাজনৈতিক প্রভাবের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় স্থানীয়দের একাংশ তাকে “স্বৈরাচারের দোসর” বলেও আখ্যা দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠলেও প্রভাবের কারণে সেগুলো কার্যকরভাবে তদন্ত হয়নি। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রস্তুতি
মীর আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ, বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য এবং তার পেছনের প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।আগামী পর্বে তুলে ধরা হবে—
তার বিপুল সম্পদের প্রকৃত উৎস
নামে-বেনামে কেনা সম্পত্তির দলিল ও প্রমাণ
স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবের নেপথ্যের তথ্য
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়া
(প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা জয়)
(চেয়ারম্যান মোঃ কাজী রায়হান) (০১৬৭৯২৩৫৫৬৮)
(ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মোঃ লিটন হোসেন)
(নির্বাহী সম্পাদক মোঃআশিকুর রহমান)
(ডাইরেক্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম শাজাহান)
(আইন উপদেষ্টা মোঃ লতিফ হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)
(আইন উপদেষ্টা শিশির কুমার পাবনা জজ কোট)
মোবাইল নাম্বার (০১৬২২-৬২৬০৯৯)
জিমেইল:sonalinewstv2023@gmail.com
www.sonalinewstv.live
অফিস ঠিকানা :ঢাকা বাংলাদেশ)