প্রতিবেদনের বিষয়ঃ
মেলার আমেজে নব সাজ মিয়ার হাট
মিতা পোদ্দার।
তারিখ:০৫/০৪/২০২৬ খ্রি:
বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল।
কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।
সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া।
বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।
বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।
জাতি-ধর্ম, ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।
সংগ্রহেঃ এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার
(প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা জয়)
(চেয়ারম্যান মোঃ কাজী রায়হান) (০১৬৭৯২৩৫৫৬৮)
(ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মোঃ লিটন হোসেন)
(নির্বাহী সম্পাদক মোঃআশিকুর রহমান)
(ডাইরেক্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম শাজাহান)
(আইন উপদেষ্টা মোঃ লতিফ হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)
(আইন উপদেষ্টা শিশির কুমার পাবনা জজ কোট)
মোবাইল নাম্বার (০১৬২২-৬২৬০৯৯)
জিমেইল:sonalinewstv2023@gmail.com
www.sonalinewstv.live
অফিস ঠিকানা :ঢাকা বাংলাদেশ)