যশোর সদর উপজেলার নওদাপাড়া ইউনিয়নে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির অভিযোগ
যশোর প্রতিনিধি :
মোঃ রফিকুল ইসলাম সবুজ
যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বড় গোপালপুর এলাকায় সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে পশু ডাক্তার মোঃ কামরুল দুই লাখ টাকার মাটি বিক্রি করেছেন, ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখের কাছে, মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।
পাশাপাশি সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে সাংবাদিক জানতে চাইলে ফোনে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে,এই ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখকে আইনের আওতায় আনতে হবে, যত দিন না,এই ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখকে আইনের আওতায় আনা হবে না, ততদিন প্রতিবেদন প্রকাশ করা চলমান রাখা হবে।
রমজানের ভিতরে দুইদিন এই সরকারি জমি থেকে মোঃ মন্টু শেখ, মাটি কাটা শুরু করেছিলেন পরে সাংবাদিকদের কারণে বন্ধ করে রাখেন মাটি কাটা সেই থেকে অনেক চেষ্টা করেছেন পারমিশন নেওয়ার জন্য যখন পারমিশন কোথাও থেকে দেওয়া হয়নি, ঠিক তখনই হঠাৎ করে গত দুই দিন আগের থেকে রাতের আঁধারে আবার মাটি কাটা শুরু করেছেন ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ।
রমজানের ভিতরে ওই এলাকা থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়, সরকারি জমি থেকে পশু ডাক্তার মোঃ কামরুল দুই লাখ টাকায় অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করছে একই ইউনিয়নের ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখের কাছে, তারা আরো জানায় আপনারা এখনি এসে দেখুন কি ভাবে সরকারি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করছে।
সাথে সাথে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান মোঃ মন্টু শেখ, সরকারি জমি থেকে মাটি কাটছেন তখন তাকে পাওয়া যায়নি, দেলোয়ার নাম আরেক মাটি ব্যবসায়ী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে জানায় এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না, আপনারা চলে যান মন্টু শেখ আসলে আপনাদের সাথে কথা বলতে বলবো, এর পরে পাচবাড়িয়া ভূমি অফিসের কর্মকর্তাকে জানানো হয়, তখন মাটি কাটা বন্ধ করে রাখেন। পাচবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা বলেন এই জায়গা সরকারি ভাবে খাস হয়ে গেছে, এখন এই জমির মালিক কেউ না। বর্তমান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী খাস এই জমি সরকার বাদে কেউ দখল বা মাটি বিক্রি করতে পারবেন না।
রবিবার রাত ১০ টার পর থেকে আবার পশু ডাক্তার মোঃ কামরুল এবং ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ মাটি কাটা শুরু করেছেন,বড় গোপালপুর এলাকা থেকে জানানো হয়েছে, এলাকাবাসী বলেন কামরুল ও মন্টু সারারাত মাটি কাটা শুরু করেছে আবারো রাস্তার অবস্থা খারাপ করে ফেলবেন।
এই বিষয়ে আগেও সদর
উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল এবং সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তাকেও জানানো হয়েছিল।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন আমাদের বলার কিছু নেই তারা এই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং দলের সাথে কেউ জড়িত আছে আবার কেউ দলে না থেকেও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এই সরকারি জমি থেকে আবার মাটি কেটে বিক্রি করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ করে বলেন এই জমি খাস হয়ে গেছে আরো অনেক আগেই কিন্তু পশু ডাক্তার মোঃ কামরুলরা এলাকায় বলে বেড়াচ্ছে যে এই জমি নাকি খাস হয়নি কিন্তু আমরা যতটুকু জানি যে এই জমি সরকারি ভাবে খাস হয়ে গেছে। কিন্তু এরা এখন অবৈধভাবে দাবি করছেন যে ঢাকা থেকে পারমিশন নিয়ে আসছি আমাদের ঢাকা থেকে মাটি কাটার পারমিশন দিয়েছে বিদায় মাটি বিক্রি করছি,যে এখানে এসে বাঁধা দিবে তার হাত পা ভেঙ্গে দেওয়ার ও হুমকি দিয়েছে, ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ।
সাংবাদিকরা অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখের কাছে জানতে চাইলে ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ, সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বলেন তোর যা যা করতে মন চায় কর তুই যদি আমার কিছু করতে পারিশ করে দেখা এবং প্রশাসনকে বলে যদি মাটি কাটা বন্ধ করতে পারিশ কর আমার কোন সমস্যা নেই, সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি ও দিয়েছে ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ।
ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ সাংবাদিককে বলেন তোর এতো বড় ক্ষমতা হয়ে যদি থাকে তাহলে আমার মাটি কাটার এই খানে এসে দেখা তোকে আর তোর সাথে যারা থাকবে তাদের ভালো ভাবে ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।
নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বড় গোপালপুর গ্রাম এলাকায় এবং আশপাশে বলে আমি বিএনপি করি আমার ক্ষমতা কতো কারো ধারণা নেই, এই ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দলের বদনাম করে চলেছেন, তিনি কোন পদ পদবীতে না থেকেও নিজেকে দলের নেতা হিসেবে পরিচিত করেছেন।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা মোঃ শামীম হোসাইনের সাথে কথা বলা হয়, তিনি বলেন এই বিষয়টি তো জানা ছিল না, ঠিক আছে আপনি সব কিছু আমাকে দিয়ে দিন বিষয়টি দেখছি।
সাংবাদিককে হাত-পা ভেঙে দিবে এবং আরো অস্বাভাবিক ভাবে গালিগালাজ করে হুমকি দিয়েছে এই ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ কে, যতো দিন প্রশাসনিকভাবে আইনের আওতায় আনা আগমুহূর্ত পর্যন্ত এই ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখ এর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করা চলমান রাখা হবে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যতো দ্রুত সম্ভব ভূমিদস্যু মোঃ মন্টু শেখকে আইনের আওতায় আনুন।
(প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ সোহেল রানা জয়)
(চেয়ারম্যান মোঃ কাজী রায়হান) (০১৬৭৯২৩৫৫৬৮)
(ব্যবস্থাপনা পরিচালক
মোঃ লিটন হোসেন)
(নির্বাহী সম্পাদক মোঃআশিকুর রহমান)
(ডাইরেক্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম শাজাহান)
(আইন উপদেষ্টা মোঃ লতিফ হোসেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)
(আইন উপদেষ্টা শিশির কুমার পাবনা জজ কোট)
মোবাইল নাম্বার (০১৬২২-৬২৬০৯৯)
জিমেইল:sonalinewstv2023@gmail.com
www.sonalinewstv.live
অফিস ঠিকানা :ঢাকা বাংলাদেশ)