বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রচন্ড গরম, কদর বেড়েছে তালপাতার পাখার।

বিদ্যুৎ বিভ্রাট, প্রচন্ড গরম, কদর বেড়েছে তালপাতার পাখার।

আবু জাহেদ ইমন
মনিরামপুর যশোর থেকে

বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ইউনিট নষ্টের কথা বলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়মিত হয়ে পড়েছে। একমাত্র ভিআইপি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দেশের অন্য কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহ নাজুক অবস্থা। পৌর ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট থাকলেও তুলনা মূলক কম। বিদ্যুৎ অফিস বিকল্প লাইন তৈরি করে এসব এলাকায় মোটামুটি স্বাভাবিক রাখছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
এর বাইরে সকল এলাকায় এখন বিদ্যুৎ যায় না মাঝে মাঝে আসে। ১২ ঘন্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে গ্রাম অঞ্চলে। বিদ্যুৎ সরবরাহে এই বিরাট বৈষম্য মানতে নারাজ গ্রামের মানুষ। ভিআইপি সিটি ও পৌর শহরে মানুষ বসবাস করলেও গ্রামে কি মানুষ বসবাস করে না এই প্রশ্ন সকলের। অবিলম্বে বৈষম্য দূর করে সমান বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার মানুষের। তাঁরা কোন ভেদাভেদ দেখতে চায় না। ইতিমধ্যে ফুঁসে উঠেছে গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। অচিরেই বৈষম্য দূর করে সমান বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলে গন বিস্ফোরণ ঘটায় সম্ভাবনা বেশি।
যখন বিদ্যুৎ নেই বললেই চলে সেই সময় প্রচন্ড তাপদাহে পুড়ছে গ্রাম অঞ্চল। সাধারণ মানুষ সামান্য স্বস্তি পেতে খুঁজছে তাল পাতার পাখা। তালপাতার পাখার কদর বাড়াই এ খাতে সিন্ডিকেটের থাবা পড়েছে। উৎপাদনকারীরা প্রতিপিচ তালপাতার পাখা বিক্রি করলেও দোকানে তার দাম ৫০ টাকার উপরে। সিন্ডিকেট উৎপাদনকারীদের কাচ থেকে সল্প মুল্যে চড়া দামে তা বিক্রি করায় ক্রেতাদের মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে পড়েছে। জ্বালানি তেলের সংকটের অজুহাতে সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় সাথে তালপাতার পাখা দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় জনমনে নাভিশ্বাস দেখা দিয়েছে।
দ্রুত সব ক্রেতাদের নাগালে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আশা করেন সব শ্রেণীর ও পেশার মানুষ।

     এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

Our Like Page