সাখাওয়াত হাসান
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স সম্পন্ন করা রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের বর্তমান সহসভাপতি, সাবেক ১নং যুগ্ম সম্পাদিকা মহানগর মহিলা দল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য জুবাইদা খানম রিতা।
বিএনপি বিরোধী দল থাকা অবস্থায় ও সকল আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। মামলা হামলায় জর্জরিত থাকলেও দল ছেড়ে যাননি বিপদের সময়ে। এখন বিএনপি দেশ পরিচালনার দ্বায়িত্বে রয়েছে। সিলেকশনের ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হবার দৌড়ে তিনি একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি।
সানশাইনের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি ও মহান স্বাধীনতার ঘোষক এবং গনতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এখন দেশ ও দল পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি জানেন, সংসদ সদস্য হিসেবে কারা যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ ও দেশের নাগরিকদের কাজ করতে পারবে।
আমি দলের জন্য নিজের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে এখনো সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জননেতা ভুমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সকল গণমানুষের নেতা মিজানুর রহমান মিনু ভাইয়ের দিকনির্দেশনায় কাজ করতে চাই। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সকল নারী ও শিশুদের উন্নয়নে নিজেকে সক্রিয় রাখতে এবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নিবেদিত কর্মি হিসেবে মনোনয়ন প্রার্থনা করছি।
রাজশাহীতে নারীদের জন্য স্বাধীনতার পর থেকে আধুনিক রাজশাহীর রুপকার প্রাণপ্রিয় নেতা মিজানুর রহমান মিনু ও সাবেক সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের অসমাপ্ত কাজগুলো তাদের ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় করতে চাই।
তিনি বলেন, বিসিক এলাকায় বেশ কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মমুখী করে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠীর পিছিয়ে পড়া নারীরা হাতের কাজে বেশ পারদর্শী। এই নারীদের উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা উদ্যেক্তা হিসেবে খুব সহজে গড়ে তুলতে পারি। উন্নত বিশ্বের নারীরা যদি সাবলম্বী হতে পারে তবে তারেক রহমানের বাংলাদেশে এই পিছিয়ে পড়া নারীরাও এগিয়ে যেতে পারবে। তার জন্য দরকার এই নারীদের নিয়ে কাজ করার মানসিকতা ও নারী নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা সংরক্ষিত নারী আসনে যাকে সিলেকশন দেয়া হবে তার ইচ্ছে থাকবে কি না।
তিনি আরো জানান, অল্প বয়সে এখনো অনেক গরীব বাবা মা বিয়ে দিচ্ছেন তাদের জন্য আমি কাজ করতে চাই বিশেষ করে। গরীব কিশোরী ও বিয়ের উপযুক্ত নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মের ব্যবস্থা করতে পারলে তারা পরিবারের বোঝা না হয়ে দেশের জনশক্তিতে পরিণত হবে।
রিতা জানান, এখন রাজশাহী জেলায় চারজন বিএনপির সংসদ সদস্য রয়েছে। মাথার উপর রয়েছে ভূমিমন্ত্রী মিনু ভাই। এবার একটা সুযোগ চাই তাদের কাছে। নিজের জমিয়ে রাখা স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেয়ার। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়ে একটি টেকসই জাতি হিসেবে গড়ে তোলার যে আকাঙ্খা এতোদিন ধরে জমিয়ে রেখেছি সেটি যদি দলের নেতৃবৃন্দ অন্তত একবার সুযোগ দেন তবে তাদের ও একজন সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জনআকাঙ্খা পূরণ করতে পারবো বলে বিশ্বাস রাখি।

রাজশাহী মহিলা দল নেত্রী প্রধানমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশনায় নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজ করতে চাই

রাজশাহী যুবদলে ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের অভিযোগ সাখাওয়াত হাসান রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী মহানগর যুবদলের ৪১টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডে ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে ‘ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন’ -এর অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। রোববার দুপুর ১২টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, গত ১৭ বছর ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার’ পতনের আন্দোলনে রাজশাহী মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের শাসনামলে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেকেই দীর্ঘ সময় বাড়িতে অবস্থান করতে পারেননি। তাদের অভিযোগ, সেই ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে মহানগরীর ৪১টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কমিটিতে আওয়ামী লীগের লোকজনকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। মানববন্ধন থেকে মহানগর যুবদলের ৪১টি ওয়ার্ডে গঠিত নতুন ‘পকেট কমিটি’ বাতিল করে অনতিবিলম্বে পুনরায় কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের আগে যারা স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটিতে ছিলেন- এমন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের অর্থের বিনিময়ে (প্রায় ২০০ জন) যুবদলের ৪১টি ওয়ার্ড কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়। এ ঘটনায় রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। এছাড়া, অতীতে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে দলীয়ভাবে শোকজ হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়

Our Like Page