বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফেরতের পুনাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফেসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে রাজনৈতিক দল হিসেবে পাওয়া নিবন্ধন বাতিল করেছিল হাইকোর্ট। এক যুগ পর ঐ রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ। ১১ মে পুনাঙ্গ রায়ের কপি প্রকাশ করা হয়। হাইকোর্টের বিরুদ্ধে জামায়াতের করা আপিল শুনানি করে রায় দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রিফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতি আশরাফুল ইসলাম, বিচারপতি জোবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মোঃ রেজাউল হক বেঞ্চ।
ঐতিহাসিক এ রায়ের পর দলীয় নিবন্ধন ও প্রতিক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে ফেরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম।
জামায়াতকে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট করা হয়। রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠার ভিত্তিতে নিবন্ধন অবৈধ ঘোষিত হয়। ২০১৩ সালের ১ আগষ্ট এই রায় দেয় হাইকোর্ট। সাথে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সনদ দেয় আদালত। যা ঐ বছর আপিলে রূপান্তরিত হয়। রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম।
২০২৫ সালের ১ জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল অবৈধ ঘোষণা করেন এবং ২০১৩ হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করেন। ফলে দলটির নিবন্ধন ও প্রতিক ফিরে আসে। এতে রাজনৈতিক কাজ করায় পথ সুগম হয়। ২০২৬ সালের ১১ মে রায়ের পুনাঙ্গ কপি প্রকাশ করা হল।
আবু জাহেদ ইমন